আফ্রিদির শ্বশুর হতে যাচ্ছেন আফ্রিদি

0
11
আফ্রিদির শ্বশুর আফ্রিদি

যারা ক্রিকেট খেলা সম্পর্কে খোজ খবর রাখেন তারা সবাই পাকিস্তানের পেস বোলার শাহীন আফ্রিদি সম্পর্কে কম বেশী জানেন। পাকিস্তানের হয়ে মাঠে বেশ ভালোই আলো ছড়াচ্ছেন আফ্রিদি। তবে তাকে নিয়ে একটা ভুল ধারণা সবারই হয়েছিল- সেটা হল তিনি পাকিস্তানের আরেক খেলোয়াড় শহীদ আফ্রিদির আত্মীয়- যা সম্পূর্ণ ভুল।নাম একই হলেও তিনি শহীদ আফ্রিদির আত্মীয় ছিলেন না। তবে শীঘ্রই এই ব্যবধান ঘুচিয়ে নিচ্ছেন দুই আফ্রিদি।
শহীদ আফ্রিদির বড় মেয়ে আকসা আফ্রিদির সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন এই উঠতি তারকা পেসার। এর মাধ্যমেই দুই আফ্রিদি বাধা পড়তে যাচ্ছেন আত্মীয়তার বন্ধনে। এখবর সবার আগে পাকিস্তানি মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে সাংবাদিক ইহতিশাম উল হকের টুইটের মাধ্যমে। এই সাংবাদিকের ভেরিফায়েড টুইটার একাউন্ট থেকে প্রকাশিত টুইটটি হলো,”দুই পরিবারের অনুমতি নিয়ে একটি বিষয় পরিষ্কার করতে যাচ্ছি আমি। শহীদ আফ্রিদির মেয়ে এবং শাহীন শাহ আফ্রিদির মধ্যে বাগদানের যে খবরটি ছড়িয়েছে তা সত্য। বিয়ের প্রস্তাব এর মধ্যেই গৃহীত হয়েছে। জানা গেছে বাগদানের আনুষ্ঠানিকতা আগামী দুই বছরের মধ্যে অনুষ্ঠিত হবে।আর সেটা হবে আফ্রিদির মেয়ের শিক্ষাজীবন শেষ হওয়ার পর।”

আরেকটি টুইটও আসে এই একাউন্ট থেকে। এতে তিনি ব্যাখা করেন কেন তিনি আগাম এই সংবাদ প্রকাশ করেন। দ্বিতীয় টুইটে তিনি বলেছেন,” অনুগ্রহ করে দুই পরিবারের সিদ্ধান্তের প্রতি শ্রদ্ধা জানান।এই টুইট করার কারণ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যেন কোন গুজব না ছড়ায়। দয়া করে, দুই পরিবারের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার জন্য অপেক্ষা করুন।এই মাহেন্দ্রক্ষণে তাদের ব্যক্তিগত গোপনীয়তার প্রতি সম্মান জানানোর জন্য আহবান জানাচ্ছি সবাইকে।”

শহীদ আফ্রিদির পাঁচ কন্যাসন্তানের মধ্যে ২০ বছর বয়সী আকসা আফ্রিদি সবচেয়ে বড়। তার বয়স শাহীন আফ্রিদির সমান। বাকি চার কন্যা হচ্ছেন আনশা,আশমারা ও আজওয়া।

তিনি তার প্রকাশিত বইয়ে লিখেছিলেন যে, “গত কয়েক বছরে চার মেয়ের বাবা হওয়ার সৌভাগ্য হয়েছে আমার। সত্যি বলতে কি, একেকজনের জন্মের পর আমার ভাগ্যের চাকা আরও বেশি করে ঘুরেছে। বাবার কাছে মেয়েরা আশীর্বাদ। আমার কাছে ওরা সবাই আশীর্বাদের মতো।” বই প্রকাশিত হওয়ার পর আরেক কন্যা সন্তানের জনক হয়েছেন তিনি। আরব আমিরাতের বিখ্যাত সংবাদ মাধ্যম গালফ নিউজ জানিয়েছে,শাহীন শাহ আফ্রিদির বাবা আয়াজ খান বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গিয়েছিলেন আফ্রিদি পরিবারের কাছে,এবং তিনি নিরাশ হননি। খুশির সংবাদ নিয়েই ফিরেছেন ঘরে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here