চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে

0
11
চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে

বর্তমান বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্র হচ্ছে চীন। পৃথিবীতে নিজেদের নিয়ন্ত্রণ বাড়ানোর সাথে সাথে মহাকাশেও নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করতে মরিয়া এই বৈশ্বিক পরাশক্তি। সম্প্রতি একটি রকেট উৎক্ষেপণ করেছে চীন। আর এই রকেটের ১০০ ফুট লম্বা মূল অভ্যন্তরীণ অংশ (‘কোর’)পৃথিবীর দিক ছুটে আসছিল কিছুদিন আগে  সম্প্রতি রকেটটি মালদ্বীপ এর কাছাকাছি ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে, সূত্র টাইমস অফ ইন্ডিয়া পড়ুন চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

চীনের তৈরি এই বৃহত্তম রকেটটির নামলং মার্চ ৫বি রকেট মহাকাশে গুরুত্বপূর্ণ অভিযানের জন্যই এই শক্তিশালী রকেট বানিয়েছে চীনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা। পৃথিবীর কক্ষপথে নিজের দেশের একটি মহাকাশ স্টেশন বানাতে চলেছে চীন। প্রকল্পের নাম– ‘তিয়ানহে মহাকাশ স্টেশন তা উৎক্ষেপণের জন্য কিছুদিন ধরেই প্রস্তুতি নিচ্ছে চীন। ওই মহাকাশ স্টেশনের একটিমডিউল’ (অংশ) পরীক্ষামূলকভাবে পৃথিবীর কক্ষপথে পাঠাতে গত ২৮ এপ্রিললং মার্চ ৫বি রকেটেরউৎক্ষেপণ করেছিল চীনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থা।  চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

স্পেসনিউজ’ এর বরাতে জানা যায় যে চীনা রকেটটি সফলভাবে মহাকাশ স্টেশনেরমডিউলটিকে কক্ষপথে স্থাপন করতে পারলেও নিজেকে আর গ্রাউন্ড স্টেশনের নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেনি। ঘুরে চলেছে পৃথিবীর কক্ষপথে। তবে তার ভেতরের ১০০ ফুট লম্বা (৩০ মিটার) অংশটি রকেট থেকে আলাদা হয়ে পৃথিবীর বায়ুমণ্ডলে দিনকয়েকের মধ্যেই ঢুকে পড়েছিলযেহেতু তার ওপর আর কোনো নিয়ন্ত্রণই নেই চীনা মহাকাশ গবেষণা সংস্থার গ্রাউন্ড স্টেশনের তাই বায়ুমণ্ডলে ঢোকার পর যেকোনো মুহূর্তে পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তে তা ভেঙে পড়তে পারে বলে ভবিষৎবাণী করেছিল। তাদের সেই ভবিষৎবাণী সফল হয়েছে। এতদিন পৃথিবীর চারপাশে ক্রমাগত চক্কর খাওয়ার পর অবশেষে এটি পৃথিবীতে ভেঙে পড়েছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মালদ্বীপ এর কাছাকাছি সেই চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

যেহেতু পৃথিবীর ৩ ভাগ ই পানি দ্বারা বেষ্টিত সুতরাং এটা সম্ভাব্য ছিল যে রকেটটি মহাসাগরের কোথাও গিয়ে পড়েছে। ঠিক সেটাই হয়েছে। সব জল্পনা কল্পনা এড়িয়ে শেষ পর্যন্ত সেই চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। এখন সেটার ধ্বাংসাশেষ উদ্ধার এর কাজ চলছে। চীনের রকেট ভারত মহাসাগরে গিয়ে পড়েছে। 

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here