টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি

0
7
রাষ্ট্রপতি টিকা

করোনা ভাইরাসের টিকা নিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। বুধবার (১০ই মার্চ) বিকেলে ৭৭ বছর বয়সী রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং তাঁর স্ত্রী রাশিদা খানম রাজধানীর বঙ্গভবনে কোভিড -১৯ টিকার প্রথম ডোজ পেয়েছেন।

রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব এম জয়নাল আবেদিন সংবাদ মাধ্যমকে বলেছেন, “রাষ্ট্রপতি ও তাঁর স্ত্রী রাশিদা খানম বঙ্গভবনে সন্ধ্যা ৫ টায় করোনভাইরাস ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন।”

এই টিকা নেওয়ার সময় রাষ্ট্রপতি এবং তাঁর ব্যক্তিগত চিকিৎসক সহ অন্যান্য অনেকেই সেখানে উপস্থিত ছিলেন।

রাষ্ট্রপতি দেশবাসীকে টিকা নেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার ব্যাপারে আহ্বান জানিয়েছেন।

এর আগে গত ৪ই মার্চ মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা করোনা ভাইরাসের টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন। গত ২৪ই ফেব্রুয়ারি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছোট মেয়ে অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বোন শেখ রেহানা করোনাভাইরাসের টিকা নেন।

গত ২৮শে জানুয়ারি রাজধানীর পাঁচটি হাসপাতালে প্রথমবারের মতো করোনার টিকা দেওয়া শুরু হয়। পরে গত ৭ই ফেব্রুয়ারি দেশব্যাপী গণ টিকাদান কার্যক্রম শুরু হয়।

ইতোমধ্যেই কিছু বিশেষ ব্যক্তিবর্গ ও মন্ত্রীরা কোভিড-১৯ ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

মঙ্গলবার (৯ই মার্চ) পর্যন্ত ৪০ লাখ ১৩ হাজার মানুষ টিকার প্রথম ডোজ নিয়েছেন।

দেশব্যাপী মোট এক হাজার পাঁচটি কেন্দ্রে করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে। সরকার ১৩ কোটি মানুষকে বিনামূল্যে করোনাভাইরাসের টিকা দেওয়ার পরিকল্পনা নিয়েছে।

বাংলাদেশে দেওয়া হচ্ছে ভারতের সেরাম ইনস্টিটিউটে তৈরি অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার টিকা। ভ্যাকসিনটি প্রচারণার উদ্বোধনকালে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালের রুনু ভেরোনিকা কোস্টার নামক একজন নার্সকে প্রথম ডোজ দেওয়া হয়েছিল।

তারপরে হাসপাতালে আরও দুজন চিকিৎসক, একজন ট্র্যাফিক পুলিশ এবং একজন আর্মি ব্রিগেডিয়ার এই ভ্যাকসিন পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে প্রথম সারির ২০-২৫ জন স্বাস্থ্য কর্মীরাও এই ভ্যাকসিন গ্রহণ করেছেন।

গত বছর ৫ই নভেম্বর স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) অংশ হিসাবে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ৯০ লাখ টিকার ডোজ পেয়েছে। এরপরে বাংলাদেশ সরকার, বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস লিমিটেড এবং এসআইআইয়ের মধ্যে গত বছর ১৩ই ডিসেম্বর একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।

অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকা উপহার হিসেবে ২০ লাখ ডোজের টিকা প্রেরণ করায় ২১শে জানুয়ারি বাংলাদেশ তার প্রথম কোভিড -১৯ ভ্যাকসিনের চালান পেয়েছিল। পরবর্তীতে, ত্রিপক্ষীয় চুক্তির অংশ হিসেবে বাংলাদেশ আরোও ডোজ পেয়েছে।

চুক্তিটি এ বছর জুনের মধ্যে ৩ কোটি কোভিড -১৯ ভ্যাকসিন ডোজ সরবরাহের বিষয়ে নিশ্চিত করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here